##-----একটা অনিঃশেষ রাতের কবিতা
এইখানে রাতের পর রাত জমা হয়
সাদা পাতায় কালো অক্ষরে অক্ষর লিখে রাখি
জীবন--মৃত্যুর মাঝে যেটুকু সময়!
প্রেম ভালবাসা সম্পর্ক কিছুই লেখা নেই
আদিখ্যেতার নমুনা কিছু আছে -
ওই যেমন বিবাহ বন্ধুত্ব আত্মীয় স্বজন পরিজন
একটা তালেগোলে পাকানো গুরুচাণ্ডালী বিষয়
শব্দের গায়ে যেটুকু আশ্বাস জড়িয়েছি
ওসব জোনাকিদের কাছ থেকে ধার করা।
টেবিলের ওপর মোমবাতি বহুযুগ নিভেগেছে
এখন ওটুকুই ভরসা এরকম গভীর রাতে !
কঙ্কালসার ভাঙাচোরা বর্ণের নিস্তব্ধ কবিতা
ডি.এন.এ পরীক্ষা হলে সামনে আসবে
প্রতিরাতের কত রক্তক্ষরণ ইন্দ্রিয় জুড়ে -
চক্ষু-কর্ণ-নাসিকা !
========================
বিশ্বাস একটা ভুল শব্দ
একটা অস্বাভাবিক আত্মহত্যা! মৃত্যু!
শবদেহের চারপাশ ঘিরে আটকে আছে
যুক্তি-তর্ক পাল্টা যুক্তি ময়নাতদন্ত
ততক্ষণে লাশটার তিনবার মৃত্যু ঘটেছে।
কয়েকজন বলছে ছেলেটা বড্ড লোভী ছিল
কেউ বলছে ছেলেটা খুব অভিমানী ছিল
আবার অনেকে বলছে বড় অহংকারী ।
দাওয়ায় বসে শুধু তার মা আকাশ দেখছে
আর বিড়বিড় করে ছেলেটা বড্ড জেদি ছিল
সাত বছর ধরে একজনকেই ভালবেসেছে
মানুষকে বিশ্বাস করেছিল!
============================
প্রতিদিন ফুলদানিতে নতুন নতুন ফুল সাজাও
আমাকে মুগ্ধ করার লোভে ভুলেযেতে বসেছ
বাগানের প্রতিটি ফুল আমার ভীষন প্রিয়।
আমার শখের বাগানে পা টিপেটিপে ঢুকে পড়ো
পছন্দ মতো; ধর্ষক কাঁচি-র ডগায় ছেঁটেফেলো
এক-একটা সৃষ্টি-সুখের বৃন্ত!
আমি শুয়েথাকি প্রতিটি বৃন্ত-মূলের শরীরে শরীরে
আমাকে অবাক করে; তুমি আমাকে দেখতে পাওনি!
আমাকে ছুঁ-তে পারেনি তোমার পরিপাটি হাতের দক্ষতা।
নিগূঢ় সান্ধ্য তপস্যা আমাকে মুগ্ধ করার লোভে
ভুলেযেতে বসেছ, আজো জানা হয়ে উঠেনি
আমার ইচ্ছেটা কি?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন